দন্ডের প্রকারভেদ: ধারা-53 (6 প্রকার)। জালিয়াতি: ধারা-463 (মিথ্যা দলিল বা দলিলেরে অংশ প্রণয়ন করা)।ব্যাভিচার: ধারা-497 (৭ বছর সশ্রম/বিনাশ্রম কারাদন্ড বা অর্থ দন্ড বা উভয় দন্ড)।বেআইনী সমাবেশ: দন্ডবিধির 141-145; ধারা-141 (সংজ্ঞা), ধারা-142 (বেআইনী সমাবেশে যোগদান), ধারা-143 (দন্ড: ছয় মাস পর্যন্ত সশ্রম/বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অর্থ দন্ড অথবা উভয় দন্ড), ধারা-144 (মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হলে দুই বছর পর্যন্ত দন্ড), ধারা-145 (ছত্রভঙ্গের আদেশ জানার পরও উহাতে শরীক হওয়া); সিআরপিসির 127-132; ধারা-127 (ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আদেশে ছত্রভঙ্গকরণ), ধারা-128 (বেসামরিক শক্তি প্রয়োগ), ধারা-129 (সামরিক শক্তি প্রয়োগ), ধারা-130 (ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আহূত বাহিনীর অধিনায়কের কর্তব্য পালন), ধারা-131 (কমিশন অফিসারের ক্ষমতা), ধারা-132 (দায়মুক্তি/রক্ষাকবচ)। আত্মরক্ষার ব্যাক্তিগত অধিকার: বিধি-96 থেকে 106। অপরাধজনক নরহত্তা: ধারা-299। খুন: ধারা-300। আঘাত: ধারা-319 (আঘাত) ও ধারা-320 (গুরতর আঘাত- 8 প্রকার)। গণউপদ্রব: ধারা-268 এবং সিআরপিসির ধারা 132-143 (৬ প্রকার)। দস্যুতা ও ডাকাতি: ধারা-390 (দস্যুতা- 5 জনের কম-7 বছর), ধারা-391 (ডাকাতি-5 অথবা তার বেশী ব্যাক্তি-10 বছর-খুন হলে মৃত্যুদন্ড)। চুরি: ধারা-378 (চুরির সংজ্ঞা), ধারা-379 (শাস্তি-3 বছর), ধারা-380 (বাসগৃহে চুরি করলে 7 বছর)। যে সকল ক্ষেত্রে নরহত্তা বৈধ: ধারা-100 (শরীর রক্ষার জন্য), ধারা-103 (সম্পত্তি রক্ষার জন্য)।
সাধারণ ব্যতিক্রম হিসেবে যা অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না: ধারা-76 হতে 95।
No comments:
Post a Comment