অর্পিত সম্পত্তি: 06/9/1965 থেকে 16/02/1965, 1974 সালে শত্রু সম্পত্তি জরুরী অবস্থা বহাল আইনের 3 ধারা মোতাবেক অর্পিত সম্পত্তি ঘোষণা, ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল, 1990 এর 262 অনুচ্ছেদে এবং অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যার্পণ আইন, 2001 এর 2 (ক) ধারায় অর্পিত সম্পত্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে; প্রকারভেদ: ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল, 1990 এর 273 অনুচ্ছেদ। নামজারি: রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, 1950 এর 143 ধারা এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল, 1990 এর 309-342 অনুচ্ছেদে নামজারী সম্পর্কে বলা হয়েছে। স্বস্ত্বলিপি: রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, 1950 এর 143 ধারায় স্বত্বলিপি সংরক্ষণ আর 144 ধারায় সংশোধন সম্পর্কে বলা হয়েছে। সায়রত মহাল: জি ই ম্যানুয়াল 1958 তে সায়রত মহালের শেণীবিভাগ করা হয়েছে- 6 প্রকার।ওয়াকফ সম্পত্তি: 1962 সালের ওয়াকফ অধ্যাদেশ এর ধারা 2 (10), ওয়াকফ 2 প্রকার- ওয়াকফ লিল্লাহ ও ওয়াকফ আল আওলাদ। ওয়াকফ অধ্যাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ধারা: ধারা-7 (প্রশাসক নিয়োগ), ধারা-19 (কমিটি গঠন), ধারা-20 (কমিটির সদস্য 10 এবং সভাপতি জেলা প্রশাসক), ধারা-29 (সঠিকভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা), ধারা-30 (প্রশাসক কমিটির ক্ষমতা), ধারা-33 (প্রশাসক অনুমতিক্রমে হস্তান্তর করতে পারবেন), ধারা-34 (বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরিচালনা), ধারা-34 (ডি) (মতোয়াল্লী নিয়োগ), ধারা-35 (জেলা জজের নিকট 3 মাসের মধ্যে আপীল), ধারা-43 (ওয়াকফ প্রশাসক কর্তৃক মতোয়াল্লী নিয়োগ ক্ষমতা), ধারা-52 (হিসাব দাখিল), ধারা-53 (হিসাব নিরীক্ষা), ধারা-56 (ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তরে প্রশাসকের অনুমতি), ধারা-57 (যৌক্তিক কারণে প্রশাসক সম্পত্তি হস্তান্তরের অনুমতি দিতে পারেন), ধারা-71-78 (নীট লাভের 5% চাঁদা জমাদান), ধারা-95 (প্রশাসক এস এ এন্ড টি, 1950 অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন)। সরকারি পাওনা/দাবী: সরকারী দাবী আদায় আইন, 1913।খায়খালাসী বন্ধক: রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, 1950 এর 95 ধারা মোতাবেক এ বন্ধক 7 বছরের বেশী হবে না। হাটবাজার: রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, 1950 এর 2 (12) ধারায় এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ধারা-20 অনুযায়ী হাটবাজার ভূমি মন্ত্রণালয়ের মালিকানায় ন্যাস্ত; ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল 1990 এর 229 ধারা মতে নতুন হাটবাজারের প্রস্তাব জেলা প্রশাসক বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেন।ভূমি উন্নয়ন কর: 1976 সালে সরকার ভূমি উন্নয়ন কর অধ্যাদেশ জারী করে, এ অধ্যাদেশের 2(সি) ধারায় ভূমি করের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে ; এসএএন্ডটি এক্ট 1950 এর 2(22) ধারায় খাজনার সংজ্ঞা আছে । খাস জমি: ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল, 1990 এর 42 অনুচ্ছেদে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে। জলমহাল: জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা 2009 এর 2 (গ) তে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে। সিকস্তি ও পয়স্তি: রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, 1950 এর 86 ধারায় সিকস্তি এবং 87 ধারায় পয়স্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে। দিয়ারা জরিপ: The Bengal Alluvion & Diluvion Act, 1847 অনুসারে খুলনার সুন্দরবনে প্রথম দিয়ারা জরিপ হয়; 1963 সালে সালে স্থায়ী ভাবে দিয়ারা সেটেলমেন্ট অফিস স্থাপিত হয়; বর্তমানে বরিশাল ও নোয়াখালী জোনে দিয়ারা জরিপ চলছে।
ভূমিহীন পরিবার: ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়াল 1990 এর ধারা-53 (ভূমিহীন পরিবার) এবং ধারা-54 (খাসজমি বন্দোবস্তের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ক্যাটাগরি)। অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ পদ্ধতি: স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল অধ্যাদেশ, 1982 এর ধারা-6 এ ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ পদ্ধতির বর্ণনা আছে; ধারা-6(1): সাধারণ নোটিশ; ধারা-6(2): 15 দিন পর স্বত্ব দাবী; ধারা-6(3): দখলদার/স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তির উপর নোটিশ; ধারা-6(4): ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ ও বন্টন, 30 দিনের মধ্যে প্রাক্কলন সম্পন্ন করতে হবে। অধিগ্রহণকৃত জমির ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়সমূহ: স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল অধ্যাদেশ, 1982 এর ধারা-8 এ জমি সম্পত্তি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়সমূহের কথা বলা আছে (বাজার মূল্য, ফসল গাছপালা, সম্পত্তি অপর সম্পত্তি হতে পৃথক করার কারণে, অন্যান্য স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি, আবাসস্থল ব্যবসা কেন্দ্র, আয় হ্রাসজনিত ক্ষতি, 50% অতিরিক্ত রোয়েদাদ ধার্য)। জমিদারী অধিগ্রহল ও প্রজাস্বত্ত আইন, 1950: আপীল- ধারা-147 (কার নিকট), ধারা-148 (কালেব্টর 30 দিন, কমিশনার 60 দিন, ভূমি আপীল বোর্ড 90 দিন); রিভিশন: ধারা-149 (কালেক্টর 1 মাস, কমিশনার 3 মাস, বোর্ড 6 মাস, সরকার যে কোন সময়); রিভিউ: ধারা-150। হুকুম দখল (Requisition): স্থাবর সম্পত্তি হুকুম দখল অধ্যাদেশ, 1982 এর 18 ধারায় বর্ণিত; হুকুম দখলের ধারাবাহিক কার্যপদ্ধতি: 18(1) ধারামতে নোটিশ>সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে লিখিত আদেশ দারা দখল> 18(2) ধারামতে দখল গ্রহণ>যৌথতদন্তের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ ধার্যকরত প্রাক্কলন তৈরী>ক্ষতিগ্রস্থ ব্যাক্তিদের নোটিশ>02 বছরের বেশী সময় দখল রাখা যাবে না> ক্ষতিপূরণ প্রদান> 24(3) ধারায় দখলমুক্ত ঘোষণা। হুকুম দখলকৃত সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের পদ্ধতি: স্থাবর সম্পত্তি হুকুম দখল অধ্যাদেশ, 1982 এর 20 ধারায় বর্ণিত; 20(1)-অত্র ধারায় বর্ণিত>20(2) জেলা প্রশাসক কর্তৃক শুনানী, 5 ধারার শর্তাবলী অনুযায়ী রোয়েদাদ প্রস্তুত>20(3)ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ শর্ত সাপেক্ষে চূড়ান্ত> 20(4) নোটিশ>20(5) ক্ষতিপূরণে নির্ধরণে অর্ন্তভূক্ত বিষয় সমূহ>20(6) 02 বছরের বেশী হুকুম দখল রাখলে 5(1) উপধারা মতে ক্ষতিপূলণ সংশোধন। ক্ষতিপূরণের অর্থ দাবীদার গ্রহণ না করলে করনীয়: স্থাবর সম্পত্তি হুকুম দখল অধ্যাদেশ, 1982 এর 21 ধারায় বর্ণিত;
সরকারী দাবী আদায় আইন, 1913: সার্টিফিকেট মামলার পদ্ধতি: ফাইলিং ও নোটিশ জারী (ধারা-4: কালেক্টরের পাওনা হলে সার্টিফিকেট অফিসার সরাসরি ব্যবস্থা নেবেন>ধারা-5: অন্যান্য পাওনাদারের ক্ষেত্রে অধিযাচন পত্র দাখিল>ধারা-5(2): অধিযাচন পত্রের সাথে এডভোলারাম ফি প্রদান>ধারা-6: সন্তুষ্ট হলে সার্টিফিকেট অফিসার স্বাক্ষর করে ফাইল করবেন>ধারা-7: নোটিশ/ ধারা-10(এ): গৃহঋণ সংস্থা, কৃষি ব্যাংক, কাস্টমস ইত্যাদির ক্ষেত্রে 30 দিনের মধ্যে ডিমান্ড নোটিশ ); নোটিশ জারীর ফল: ধারা-8 (স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর বাতিল); শুনানী পদ্ধতি: ধারা-9 (30 দিনের মধ্যে আপত্তি দায়ের), ধারা-10 (সি.ও শুনানী গ্রহণ পূর্বক স্বাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন, এ পদ্ধতি 10(এ) ধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না); সার্টিফিকেট জারীর পদ্ধতি: ধারা-14 (সম্পত্তি ক্রোক বা নিলাম, ডিক্রি ক্রোক, দেনাদারকে গ্রেফতার); ক্রোক পদ্ধতি: দেওয়ানী আইন, 1908 এর 60 ধারা; নিলাম বিক্রি: ক্ষতিগ্রস্থ ব্যাক্তি 6.25% হারে সুদ, ক্রয়মূল্যের 5% দন্ড, ধারা-22: 30 দিনের মধ্যে নিলাম বাতিলের আবেদন; জারীর নিয়মাবলী: ধারা-29 (গ্রেফতার), ধারা-39 (6 মাসের বেশী আটক রাখা যাবে না, টাকা শোধ করলে যে কোন সময় মুক্তি, অসুস্থ হলে যে কোন সময় মুক্তি), ধারা-33 (মহিলা, পাগল, নাবালকের নামে গ্রেফতারী আদেশ দেয়া যাবে না); আপীল: ধারা-59 (কালেক্টরের কাছে 15 দিন, কমিশনারের কাছে 30 দিনের মধ্যে); রিভিউ: ধারা-54 (যে কোন আদেশ রিভিউ করা যাবে)। সার্টিফিকেট অফিসার নিয়োগ: সরকারী দাবী আইন, 1913 এর 3(3) ধারা এবং জেনারেল ক্লজেস এক্ট এর 16 ধারা। সম্পত্তি ক্রোক: ধারা-17 যেসব সম্পত্তি করা যাবে এবং যা করা যাবে না
No comments:
Post a Comment