এক নজরে দেওয়ানী কার্যবিধি
• এটি একটি পদ্ধতিগত আইন
• ১৯০৮ সালের ০৫ নং আইন
• গৃহিত হয় ২১শে মার্চ ১৯০৮ সালে
• বলবৎ হয় ১লা জানুয়ারী
• মোঠ ধারা ১৫৮ টি । কিন্তু ১৫৬, ১৫৭, ১৫৮ নং ধারা বাতিল।
• মোট আদেশ ৫১ (বর্তমানে ৫১ নং টি বাতিল)
• ধারা সংশোধন করতে পারে জাতীয় সংসদ
• বিধি সংশোধন করতে পারে সুপ্রীম কোর্ট
• সর্বশেষ সংশোধনী এসেছে – ২০১৭ সালে।
• মধ্যস্থতার বিধান সংযুক্ত করা হয় ( ধারা ৮৯ক ও ৮৯ক) ২০০৩ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে
• মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে – ২০১২ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে
ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা (Retrospective Effect): গৃহিত হয়েছে বর্তমানে কিন্তু কার্যকর হবে ভবিষ্যত .
ভূতাপেক্ষ কার্যকারিতা (Retrospective Effect): আইন আজকে কার্যকর হয়েছে কিন্তু আমি ধরে নেব আইনটি কার্যকর হয়েছে অতিতের সময় থেকে।
দেওয়ানী
কার্যবিধি সম্পর্কিত আইন সর্বপ্রথম জারি করা হয় ১৮৫৯ সালে। অতপর ১৮৭৮ সালে
সনের রদ হয়ে নতুন আইন জারি করা হয় । এই নতুন আইন ১৮৭৮ ও ১৮৭৯ সনে সংশোধিত
হয় । ১৮৮২ সনে এই আইন রদ করে নতুন আইন জারি করা হয়।
একীকরণ (Consolidation): আগের আইন নির্দিষ্ট বিষয়ের সকল আইনকে একত্র করে যে আইন তৈরী হয় ।
ব্যবহারের দিক থেকে আইন দুই প্রকার:
মৌলিক আইন (Substantive law): যে আইন জনগণের পরস্পরের মধ্যে অধিকার ও দায় দায়িত্ব নির্ধারণ করে তাহাকেই বলা হয় মূল আইন। যেমন: দন্ডবিধি ১৮৬০, নারী নির্যাতন দমন আইন ২০০০, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭
পদ্ধতিগত আইন (Procedural/Adjective law): মূল আইনকে বাস্তবে প্রয়োগের জন্য যে আইনের সাহায্য নিতে হয় তাহাকেই বলা হয় পদ্ধতিগত। দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮, ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮, সাক্ষ্য আইন ১৮৭২ . এই আইনে Prospective effect ঘটে।
দেওয়ান শব্দটি থেকে দেওয়ানি শব্দটির উৎপত্তি। দেওয়ান ফার্সি ভাষার শব্দ যার অর্থ খাজনা আদায়ের প্রধান কর্মচারী বা রাজমন্ত্রী
মোকাদ্দমা আরবি শব্দ যার উৎস্থাপন করা বা পেশ করা
দেওয়ানী মোকাদ্দমার মৌলিক বিষয়বস্তু – সম্পত্তি, পদবী বা সত্ত্বের অধিকার
দেওয়ানি মোকাদ্দমা যে দায়ের করে – বাদী (Plantiff)
দেওয়ানি মোকাদ্দমা যার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় – বিবাদী (Defendent)
No comments:
Post a Comment